সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইসলামে ইলমের ছয়টি স্তর

ইলম কি--? 

ইলম আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো জ্ঞান, জানা অবগত হওয়া, বিদ্যা ইত্যাদি।। ইলম হলোঃ- কোনো বস্তুর প্রকৃত অবস্থা উপলব্ধি করা। ইলম ব্যতীত আল্লাহ কে জানা যায় না।।

ইসলামে ইলম (জ্ঞান) এর গুরুত্ব এত বেশি যে, মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন নাজিলের সূচনা করেছেন,, পড়ুন।। < ইখরা> শব্দ দ্বারা আল্লাহ ঘোষণা করেন---

     < "ইখরা বিছমি রাব্বিকাল্লাজি কলাখো" >

অর্থঃ- পড়ুন আপনার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।। (সূরা আলাক,আয়াত ০১)---

সুতরাং এই আয়াত থেকে স্পষ্ট ভাবে আমরা বুঝতে পারি।। যে ইলম (জ্ঞান) ছাড়া মনুষ্যেতের বিকাশ ঘটাতে পারে না।। একজন কামেল পরিপূর্ণ মানুষরূপে গড়ে উঠার জন্য একাগ্র ভাবে জ্ঞানচর্চা করা অপরিহার্য।। জ্ঞান ব্যাক্তি জ্ঞানীর মর্যাদা সমৃদ্ধ ও সমুন্নত করেন।।

রসুলে পাক (সঃ) ফরমাইয়াছেন--

   < "তলাবুল ইলমি ফারিদাতুন আলা কুল্লি মুসিলিম" >

অর্থঃ " দ্বীনী ইলম ত্বলব করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ"

"রসুলে পাক (সঃ) অন্যত্র,, জ্ঞানার্জন কে উত্তম ইবাদত বলে অভিহিত করেন"

"ইলমের অনেক শাখা প্রশাকা রয়েছে"।। এর মধ্যে যে ধরনের ইলম অর্জন করলে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য করা যায়,, বৈধ-অবৈধ বোঝা যায় এবং আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভ করা যায় সেই ইলম অর্জন করা আমাদের ফরজ,, এবং এই ইলম-ই সর্বোত্তম ইবাদত।।   

            

         আরবি ভাষায় শব্দটি দ্বারা জ্ঞান, অনুধাবন ও উপলব্ধি করা কে বোঝানো হয়। বাংলা ভাষায় কখনো কখনো এলেম শব্দটি দ্বারাও একে বোঝানো হয়, যার অর্থ হল; জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা বা বিদ্যা তবে ইসলামী পরিভাষায় শব্দটি দ্বারা প্রায়শই শুধুমাত্র 'ইসলামি জ্ঞান' কে বোঝানো হয়ে থাকে। আরবি বহুবচনে এবং উসমানীয় তুর্কিতে এটি উলুম নামে পরিচিত।

শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনুল-কাইয়্যিম রহ. বলেন,
.
'ইলমের ছয়টি স্তর:

১:- মার্জিত ভাষায় প্রশ্ন করা

২. চুপ থাকা এবং মন দিয়ে শোনা

৩. ভালোভাবে বুঝে নেয়া

৪. মুখস্থ করা

৫. অন্যদের শেখানো। 

৬. ইলমের ফল ভোগ করা, অর্থাৎ ইলম অনুযায়ী আমল করা এবং সীমার মধ্যে থাকা
.
[মিফতাহ দারুস-সাআদাহ, পৃঃ ২৮৩]

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মুসলিম দের নামাজ পড়া ফরজ এসো নামাজ শিখি

 দুই রাকাত নামাজ কি ভাবে পড়বো? প্রথমেই বলা উচিত আমরা মুসলিম হয়ে জন্মেছি ,আমাদের জন্য নামাজ বাধ্যতমূলকভাবে পালন করতেই হবে এর কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান দুনিয়ায় থেকে আমরা নানা ভাবে নিজেদের নানা কাজে ব্যাস্ত করে তুললেও দিন শেষে কাজা নামাজ হলেও আদায় করা উত্তম। এবার মূল কোথায় ফিরে আসি :- ১:- নামাজ এর নিয়ত করে পরিষ্কার পোশাক পরিধান করে অযু করতে হবে খুব সুন্দর ভাবে ( ওযুর শেষে আকাশ এর দিকে তাকিয়ে কালিমায়ে শাহাদাত "আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসুলূহু'  পড়া খুবই উত্তম । 2:- নামাজ পাটিতে বসে  যে ওয়াক্ত এর নামাজ আদায় করবেন সে নিয়ত মনে মনে করে নিতে হয় এবং আল্লাহু আকবর বলে হাত বেধে নিতে হয় 3:- সানা  পড়তে হয়। তারপর 4:- সুরাহ ফতিহা পরতে হবে  5:- তারপর যে কোনো অন্য সূরা যা তোমার মূহস্ত যেমন - 1࿐ "Qul huwa Allahu ahad Allahu assamad Lam yalid wa lam yoolad Wa lam yakul-lahu kufuwan ahad" 2࿐ 3࿐ তারপর আল্লাহু আকবর বলে লুকু দেবেন এবং মনে মনে পড়বেন " সুবহানা রাব্বি আল আজিম"( ৩/৫)  4࿐আল্লাহু আকবর বলে শিরদাঁড়া সোজা কর...